ডিজিটাল ব্যাংকের জন্য রেকর্ড ৫২ আবেদন

২০ আগষ্ট, ২০২৩ ১৭:৫৫  

প্রথমবারের মত বাংলাদেশে চালু হতে যাওয়া ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্স পেতে ৫২টি আবেদন জমা পড়েছে। বেধে দেয়া সময় ১৭ অক্টোবর রাত ১২টা পর্যন্ত জমা পড়া অনলাইন আবেদনের সব কটিই যৌথ উদ্যোগ। এরমধ্যে ১০টি ব্যাংকের জোটসহ লাইসেন্স পেতে চেষ্টা করছে পাঁচ শতাধিক প্রতিষ্ঠান। এসব প্রতিষ্ঠানের আবেদন অনুযায়ী, ‘ডিজি টেন পিএলসি’, ‘বিকাশ ডিজিটাল ব্যাংক’, ‘নগদ ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি’, ‘উপায় ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি’ এবং ‘পাঠাও ডিজিটাল ব্যাংক’ এর নাম জানাগেছে।

এ ছাড়া রাষ্ট্রায়ত্ত তিন বাণিজ্যিক ব্যাংক সোনালী, রূপালী, অগ্রণী মিলে জোটবদ্ধভাবে ডিজিটাল ব্যাংক গঠনের আবেদন করেছে। মোবাইল ফোন অপারেটর বাংলালিংক ও তাদের মূল কোম্পানি ভিওন মিলে ডিজিটাল ব্যাংক গঠনের আবেদন জমা দিয়েছে।

দেশের ইতিহাসে ব্যাংকের লাইসেন্স পেতে একসঙ্গে এত বেশি আবেদন আর কখনো জমা পড়েনি। তবে কবে নাগাদ ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্স দেওয়া হবে ও কতটি ব্যাংক লাইসেন্স পাবে—এ বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত করেনি বাংলাদেশ ব্যাংক।

জানা গেছে, ‘ডিজি টেন পিএলসি’ নামে ১০ ব্যাংকের সব মিলিয়ে ১২৭ কোটি ৭৮ লাখ টাকা বিনিয়োগের কথা রয়েছে। এই জোটে রয়েছে সিটি ব্যাংক, ইস্টার্ণ ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, মিডল্যান্ড ব্যাংক, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, এনসিসি ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক, পূবালী ব্যাংক, ট্রাস্ট ব্যাংক ও ডাচ্-বাংলা ব্যাংক।

এ ছাড়া প্রস্তাবিত ‘বিকাশ ডিজিটাল ব্যাংক’–এর সঙ্গে বর্তমান উদ্যোক্তা ব্র্যাক ব্যাংকের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের ‘মানি ইন মোশন এলএলসি, ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স করপোরেশন, বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন, অ্যান্ট গ্রুপ ও সফটব্যাংক ভিশন ফান্ড। ‘নগদ ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি’ গঠনের জন্যও আবেদন করেছে নগদের বর্তমান ও অন্যান্য কিছু উদ্যোক্তা।

জোট বেধে আবেদন করেছে বেসরকারি ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক (ইউসিবি), আরামিট, বেসরকারি ব্যাংক এনআরবিসি ও মেঘনা ব্যাংকের সঙ্গে মোবাইল আর্থিক সেবাদানকারী কোম্পানি উপায়। এই জোটে আরও আছে ইউসিবির উদ্যোক্তাদের কোম্পানি নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালস ও তথ্যপ্রযুক্তি সেবাদানকারী কোম্পানি জেনেক্স ইনফোসিস।